সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন - Frequently Asked Questions (FAQ)
প্রশ্নের উপর ক্লিক করে উত্তর দেখুন।
১. জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ
ইমার্জেন্সি হলে কী করবো?
যে কোন সময় ইমার্জেন্সি হলে গোমতী হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে গেলে, রোগী দেখে ডিউটি ডক্টর সংশ্লিষ্ট কনসালট্যান্টকে অবহিত করবেন। আমার দেখা রোগী হলে, ডিউটি ডক্টর আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।
- সরকারি ডিউটি সময় (সকাল ৮টা হতে দুপুর ২:৩০টা) ছাড়া, চেম্বার টাইম বা অন্য সময়েও আমি ইমার্জেন্সি রোগী দেখি। আমি কুমিল্লায় না থাকলে বা ছুটিতে থাকলে আমার বিকল্প কনসালটেন্ট রোগী দেখবেন। এ বিষয়ে হসপিটাল হটলাইনে বা আমার পেইজে যোগাযোগ করলে তথ্য পাবেন।
- ইমার্জেন্সি হলে বা রোগীর সমস্যা বুঝতে না পারলে, তবেই ইমার্জেন্সিতে আসবেন। স্বাভাবিক ক্ষেত্রে বা কোন সমস্যা না থাকলে সিরিয়াল কনফার্ম করে চেম্বারে আসবেন কাইন্ডলি।
- বাসা দূরে হলে নিকটস্থ হসপিটালের জরুরি বিভাগে যাবেন।
বাচ্চার নড়াচড়া কমে গেলে কী করবো?
গর্ভের বাচ্চার নড়াচড়া ১০/১২ বারের কম হলে বা বুঝতে না পারলে সাথে সাথে হসপিটালের ইমার্জেন্সিতে যাবেন।
এক্ষেত্রে অবহেলা করলে বাচ্চা মারা যেতে পারে। “আরেকটু দেখি, ঠিক হয় কিনা” এমন ভেবে অনেকে অবহেলা করেন।
বাচ্চার নড়াচড়া সম্পর্কে আরও জানুন
ডেলিভারি ডেট পার হয়ে গেলে করণীয়
ডেলিভারি সম্ভাব্য তারিখ পার হয়ে গেলে আপনি যে ডক্টরের তত্ত্বাবধানে সেখানে যাবেন অথবা নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাবেন। চিকিৎসক সরাসরি রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে অপেক্ষা করা যাবে কিনা বা পরবর্তী করণীয় জানাবেন।
ডেট পার হওয়ার পর চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে, নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিলে, অপেক্ষা করতে থাকলে, রোগী ও গর্ভের সন্তানের সমস্যা হতে পারে।
বিস্তারিত দেখুন
বাসায় নয়, হাসপাতালে ডেলিভারি করানো কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ডেলিভারির সময় হঠাৎ করে জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন, জরায়ুর মুখ খোলার পর হঠাৎ পানি ভেঙে গিয়ে কর্ড প্রলাপ্স হতে পারে। কর্ড প্রলাপ্স হলে সাধারণত আধাঘণ্টার মধ্যে সিজার না করালে বাচ্চার মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।
হাসপাতালে থাকলে এমন জরুরি অবস্থায় তাৎক্ষণিক সিজার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়।
২. গর্ভাবস্থা ও নরমাল ডেলিভারি
সবার কি নরমাল ডেলিভারি হয়?
না, সবার স্বাভাবিক প্রসব হয় না। প্রত্যেক প্রসূতির শারীরিক কন্ডিশনের ভিন্নতা রয়েছে, তাই অন্যজনের হয়েছে বলে একইরকম আপনারও অবশ্যই হবে এমনটা ভেবে অধিক প্রত্যাশা তৈরি করবেন না।
নরমাল ডেলিভারি অবশ্যই হবেই, এমন নিশ্চয়তা আগে থেকে কেউ দিতে পারে না। এমন নিশ্চয়তা কেউ দিয়ে থাকলে সেটি বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকুন।
প্রসূতি ও বাচ্চার সবকিছু স্বাভাবিক প্রসবের উপযোগী থাকলে এখানে নরমাল ডেলিভারির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। তবে ট্রায়ালের যে কোন পর্যায়ে মা ও বাচ্চার সমস্যা দেখা দিলে জরুরি সিজারের সিদ্ধান্ত দেয়া হতে পারে।
ডেলিভারির জন্য আসার আগে যা অবশ্যই জানা দরকার
নরমাল ডেলিভারি কত সপ্তাহে হয়?
কখন নরমাল ডেলিভারি হবে এর কোন সুনির্দিষ্ট সময় নেই। সাধারণত ৩৭ হতে ৪২ সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক প্রসব হলে সেটিকে নিরাপদ বিবেচনা করা হয়। তবে এ সময়ের আগে বা পরে ডেলিভারি হওয়া শিশুদেরও জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অকাল প্রসব বা প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি কী?
গর্ভাবস্থার ৩৭ সপ্তাহের পূর্বে ডেলিভারি হলে তাকে অকাল প্রসব বা প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি বলা হয়।
নরমাল ডেলিভারির জন্য বাচ্চার ওজন
সাধারণত জন্মের সময় একটি সুস্থ বাচ্চার ওজন ২.৫ কেজি থেকে ৪ কেজি মধ্যে হয়ে থাকে। গর্ভের শিশু আকারে বড় হলে স্বাভাবিক প্রসব অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আমাদের দেশের নারীদের উচ্চতা তুলনামূলক কম হওয়ায় বেশি ওজনের শিশু স্বাভাবিক প্রসব অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না।
শিশুর ওজনের পাশাপাশি অন্য কোন জটিলতা আছে কিনা তাও বিবেচনা করা হয়। বেশি ওজনের শিশু আকারে বড় হয়, যার কারণে স্বাভাবিক প্রসবে জটিলতার ঝুঁকি থাকে ও সিজারিয়ান অপারেশনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
কত বছর বয়স পর্যন্ত নরমাল ডেলিভারি সম্ভব?
এটি নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম হতে পারে।
তবে সাধারণত ৩৫ বছর বয়সের পরে প্রথমবার গর্ভধারণ করলে গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও পরবর্তীতে জটিলতা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বেশি বয়সে গর্ভধারণ করলে সিজারের সম্ভাবনা ও জটিলতা বৃদ্ধি পায়।
১ম সিজারের পর কি নরমাল ডেলিভারি সম্ভব?
সিজার পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে সকল শর্ত মেনে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। এধরনের ডেলিভারির জন্য শুরু থেকে নির্দিষ্ট চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হয়।
ট্রায়াল দেয়া যাবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত নির্ভর করে:
- নির্দিষ্ট কিছু রিপোর্ট ও অন্যান্য শর্তের উপর
- আগের সিজারের সেলাইয়ের থিকনেসের উপর
- শেষ মুহূর্তে প্রসূতি ও বাচ্চার কন্ডিশনের উপর
প্রয়োজনে সিজার করাতে হলে, তাৎক্ষণিক সিজার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
যমজ সন্তানের কি নরমাল ডেলিভারি সম্ভব?
সাধারণত যমজ সন্তানের ক্ষেত্রে সিজারিয়ান সেকশন করাতে হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মা ও বাচ্চার কন্ডিশন কেমন থাকে, বাচ্চাদের পজিশন কেমন হয়, সেসবের উপর নির্ভর করে নরমাল ডেলিভারি ট্রায়াল দেয়া যেতে পারে। এজন্য চেম্বারে এসে চিকিৎসককে দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।
ব্যথামুক্ত নরমাল ডেলিভারি কী?
ব্যথামুক্ত নরমাল ডেলিভারি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত নয়। এক্ষেত্রে ৭০-৮০% পর্যন্ত ব্যথা কমানো হয়। এই প্রক্রিয়ায় নরমাল ডেলিভারির সময় যে সকল নার্ভ ব্যথার অনুভূতি বহন করে সেগুলো ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে অবশ করে দেয়া হয়, ফলে রোগী ব্যথা অনেকটাই কম অনুভব করে।
ব্যথামুক্ত নরমাল ডেলিভারির খরচ স্বাভাবিক প্রসবের খরচের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।
নরমাল ডেলিভারিতে এপিসিওটমি (সাইড কাটা) কেন লাগে?
গর্ভাবস্থায় কেন একজন গাইনী ডক্টরের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিত?
গর্ভাবস্থার শুরু থেকেই চেষ্টা করুন একজন গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে। বারবার ডক্টর পাল্টালে রোগীর সমস্যা থাকলে বা হাই রিস্ক প্রেগন্যান্সিতে রোগী ও বাচ্চার সমস্যা সঠিকভাবে আইডেন্টিফাই করা যায় না।
ডেলিভারির পূর্বে কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসকের ফলোআপে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গর্ভাবস্থায় কেন দূর থেকে আসা উচিত নয়?
প্রেগন্যান্সিতে যেকোনো সময় ইমার্জেন্সি হতে পারে, তাই দূরের রোগীদের চেম্বারে আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়। গর্ভাবস্থায় দীর্ঘ সময় একজন চিকিৎসকের ফলোআপে থাকতে হয়; বাসা দূরে হলে প্রতিবার যাওয়া-আসায় সমস্যা হবে এবং পথিমধ্যে মা ও শিশুর ঝুঁকি থাকে।
বাসা দূরে — এই কারণ দেখিয়ে সিরিয়াল ভঙ্গ করে দেখানোর সুযোগ নেই।
গর্ভধারণে সমস্যা হচ্ছে, ইনফার্টিলিটি চিকিৎসা কি এখানে হয়?
ডা. শাহিদা আক্তার রাখী প্রসূতিবিদ্যা ও গাইনী বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন, যিনি ইনফার্টিলিটি ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বিবাহের পর দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে, নিজের ও সংশ্লিষ্ট সকল রিপোর্টসহ চেম্বারে এসে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
চিকিৎসক সম্পর্কে আরও জানুন
৩. ডেলিভারির প্রস্তুতি ও পরবর্তী সময়
ডেলিভারির জন্য হাসপাতালে আসার আগে কী প্রস্তুতি নেবো?
- হসপিটালে আসার সময় সর্বশেষ আল্ট্রা রিপোর্টসহ সকল রিপোর্ট সাথে নিয়ে আসবেন এবং দরকারি ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সাথে আনবেন।
- নরমাল ডেলিভারিতে সাধারণত ১ থেকে ২ দিন এবং সিজারিয়ান সেকশনের পর ৩ থেকে ৪ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়। প্রয়োজনে আরও বেশিদিন লাগতে পারে। তাই নরমাল ডেলিভারির পরিকল্পনা থাকলেও সর্বনিম্ন ৩ থেকে ৪ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে আসা ভালো।
- জরুরি মুহূর্তে ও গভীর রাতে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য আগেই একজন গাড়িচালকের নাম্বার এবং অ্যাম্বুলেন্সের নাম্বার জোগাড় করে রাখুন। রাস্তায় ঝাঁকুনি কম লাগে এমন যানবাহন ব্যবহার করতে পারলে ভালো।
- রোগীর প্রেসক্রিপশন ফোল্ডারের ভিতরে দেয়া সকল নির্দেশনা ভালোমতো পড়ুন। তাহলে প্রসূতির ইমার্জেন্সি সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
ডেলিভারির আগে রক্তদাতা প্রস্তুত রাখতে হয় কেন?
যে কোন ধরনের ডেলিভারি ও জটিল অপারেশনের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ব্লাড ডোনার প্রস্তুত রাখুন। অনেক সময় নরমাল ডেলিভারিতেও প্রসূতির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
ডেলিভারির কতদিন পর পুনরায় গর্ভধারণ করা ভালো?
স্বাভাবিক প্রসব কিংবা সিজারিয়ান সেকশনে সন্তান প্রসবের কতদিন পর বাচ্চা নেয়া যাবে এর কোনো বাঁধাধরা নিয়ম নেই। তবে একেক প্রসূতির শারীরিক কন্ডিশন একেক রকম হয়ে থাকে। অনেকের পুষ্টি ঘাটতি ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা থাকে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে দম্পতিরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
মা ও অনাগত শিশুর স্বাস্থ্য ও অন্যান্য অবস্থা বিবেচনা করে সাধারণত ডেলিভারির দেড় থেকে দুই বছরের বিরতিতে গর্ভধারণ করা ভালো।
ডেলিভারির কতদিন পর সহবাস করা যায়?
সাধারণত ডেলিভারির পর ৬ সপ্তাহ বা দেড় মাস পর হতে সহবাস করা যায়। তবে এসময় থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত।
কারও ক্ষেত্রে ডেলিভারির পর পুরোপুরি সুস্থ হতে বেশি সময় লাগে, এক্ষেত্রে প্রয়োজনে চিকিৎসা পরামর্শ নিন।
৪. সিরিয়াল, রিপোর্ট ও যোগাযোগ
সিরিয়াল পেতে কেন সমস্যা হয়?
- একজন চিকিৎসকের পক্ষে একদিনে অসংখ্য রোগী দেখা সম্ভব নয়; রোগী দেখা খুবই পরিশ্রমসাধ্য কাজ।
- আমি সময় নিয়ে ধীরেসুস্থে রোগীর কথা শুনে দেখি; প্রসূতি রোগী দেখতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে। তাড়াহুড়া করলে ভুলের সম্ভাবনা থাকে, কোনো রোগীকে প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত করা সম্ভব নয়।
- ধরুন একদিনে ২৫ জন দেখা সম্ভব, কিন্তু চেষ্টা করলেন ৫০ জন — বাকিরা সিরিয়াল পাবেন না। এজন্যই সকাল ১০টায় সবাই একসাথে কল করলে মোবাইল ব্যস্ত দেখায়।
- চেম্বারের পাশাপাশি সরকারি ডিউটি, ডেলিভারি, অপারেশন, ইমার্জেন্সি ও ভর্তি রোগী দেখতে হয়।
- রেফারেল সিস্টেম না থাকায় ছোটখাটো সমস্যাতেও রোগীরা বিশেষজ্ঞের কাছে আসেন, ফলে প্রকৃত প্রয়োজনের রোগী বিড়ম্বনায় পড়েন।
- এখানে সিরিয়াল নিয়ে কোনো অনিয়ম করা হয় না। নির্দিষ্ট তারিখে দেখানোর প্রয়োজন হলে ওয়েবসাইট থেকে অগ্রিম সিরিয়াল নিয়ে রাখুন। ইদানীং ওয়েবসাইটের সিরিয়াল রাত ১২টায় কয়েক মিনিটের মধ্যে বুক হয়ে যায়।
- আগে না দেখিয়ে থাকলে ও জরুরি হলে অনুগ্রহ করে নিকটস্থ অন্য চিকিৎসকের সেবা নিন। এই অনিচ্ছাকৃত সমস্যার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
হাসপাতালে সিরিয়াল নেয়া হয়?
না। মেসেঞ্জারে কিংবা হাসপাতালে সরাসরি সিরিয়াল নেয়া হয় না। সিরিয়াল নেওয়ার দুটি উপায়:
- ওয়েবসাইট থেকে অগ্রিম: প্রতিদিনের ১৫টি সিরিয়াল ওয়েবসাইটে অগ্রিম নেওয়া হয়। অগ্রিম অ্যাপয়েন্টমেন্ট ০৬ দিন আগে থেকে নেওয়া যায়।
- মোবাইলে কল করে: অবশিষ্ট সিরিয়াল যেদিনেরটা সেদিন 01958422803 নাম্বারে সকাল ১০টায় কল করে নিতে হয়; এতে কোনো অগ্রিম পেমেন্ট লাগে না। শুক্রবার ও চেম্বার বন্ধের দিন মোবাইলে সিরিয়াল নেওয়া হয় না।
সিরিয়াল নেয়ার নিয়ম ও সিরিয়াল সম্পর্কিত প্রশ্নাবলী
চেম্বার বন্ধ থাকলে কিভাবে জানতে পারবো?
প্রতি শুক্র, রবি ও মঙ্গলবার (আপাতত) চেম্বার বন্ধ থাকে। অন্য কোনদিন জরুরি কারণে চেম্বার বন্ধ থাকলে, ফেসবুক পেইজের পিন পোস্ট ও ওয়েবসাইটে নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়।
চেম্বার বন্ধ থাকলেও ডেলিভারি এবং জরুরি সেবা চালু থাকে। কখনও আমি কুমিল্লার বাইরে থাকলে, আমার বিকল্প কনসালটেন্ট দায়িত্ব পালন করেন।
চেম্বার বন্ধ ও সময়সূচি সংক্রান্ত সকল নোটিশ
রিপোর্ট দেখাতে কি আবার সিরিয়াল ও ভিজিট ফি লাগে?
- চেম্বারে দেখানোর ০৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেখাতে সিরিয়াল বা ভিজিট ফি লাগে না। তবে তখন নতুন উপসর্গ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও শারীরিক পরীক্ষার সুযোগ নেই।
- ১ সপ্তাহের মধ্যে একই রোগীর জন্য ১ বারের বেশি সিরিয়াল নেওয়া যাবে না।
- রিপোর্ট দেখানোর সময় রোগীর উপস্থিতি আবশ্যক নয়।
- রিপোর্ট দেখানোর সময়: রাত সাড়ে ৮টা এবং চেম্বারে রোগী দেখা শেষ হলে।
মোবাইল কলে চিকিৎসা পরামর্শ পাওয়া যায়?
রোগী ও রিপোর্ট না দেখে মোবাইল কলে চিকিৎসা পরামর্শ দেয়া হয় না। ফোনে কোন রোগী কী সমস্যার জন্য কল করেছেন সেটি আইডেন্টিফাই করা যায় না, তাই সঠিক পরামর্শ দেয়া যায় না। সবক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, রোগীর ইমার্জেন্সি হলে বা সমস্যা বুঝতে না পারলে হসপিটালের ইমার্জেন্সিতে যাওয়া।
পেইজে মেসেজ দিলে সর্বশেষ প্রেসক্রিপশন ও রিপোর্টসহ মেসেজ দিবেন। তবে তাৎক্ষণিক মেসেজের রিপ্লাই পাবেন না, যেহেতু ডক্টর ব্যস্ত থাকেন।